বইটির বিস্তারিত
সুখ-দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন। মানুষের অবস্থা পরিবর্তনশীল। সকালে এক রকম, তো বিকেলেই অন্য রকম।
বিপদে পড়লে বেশিরভাগ মানুষই অধৈর্য হয়ে যায়। এমনকি এর কারণে তারা আল্লাহ তাআলাকে দোষারোপ ও দায়ী করে নিজেদের ঈমান নামক মহামূল্যবান সম্পদ হারিয়ে ফেলে। আর যারা মুমিন এবং সংযমশীল, তারা বিপদ-আপদে ধৈর্যধারণ করে।
একটু বিপদে পড়লেই আমরা দিশেহারা হয়ে যাই। ডিপ্রেশনে চলে যাই। অনুভূতিহীন হয়ে পড়ি। সব ধরনের পথ হারিয়ে ফেলি। বুঝতেই পারি না যে, এখন আমাদের করণীয় কী।
নো টেনশন, বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি আমাদের সেই অপূর্ণতা দূর করবে ইনশাআল্লাহ। গ্রন্থকার বইটিতে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন :
✪ ☞ আমাদের ওপর বিপদ আসে কেন?
✪ ☞ বিপদে আক্রান্ত হলে আমাদের করণীয় কী?
✪ ☞ আমরা কীভাবে আমাদের জীবনকে উপভোগ করব?
✪ ☞ আমরা কীভাবে সুখী হব?
✪ ☞ বিপদের সময় সালাফদের কর্মপদ্ধতি কী ছিল?
✪ ☞ বিপদে পড়লে আমরা কোন দুআ পাঠ করব? ইত্যাদি।
এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখেই গ্রন্থকার তার এই কিতাবটিকে সুবিন্যস্ত আকারে সাজিয়েছেন। তিনি মানুষকে দুঃখ-কষ্টের বদ্ধ ঘর থেকে বের করে সুখের সাগরে ভাসাতে চেয়েছেন। আল্লাহ তাআলা তার এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।
স্পেসিফিকেশন
- লেখক
- মোহাম্মদ আজিম হাসিলপুরি
- প্রকাশনী
- দাওয়া পাবলিকেশন
- অনুবাদক
- মো. ওবাইদুর রহমান সিরাজি
- ভাষা
- বাংলা
- পৃষ্ঠা সংখ্যা
- 168
- কভার
- পেপারব্যাক
- সংস্করণ
- 1st edition, 2024
এ জাতীয় আরো বই

নফসের ধোঁকা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ

নামাজহীন আর কতদিন

উসওয়াতুন হাসানাহ

খোলো বোধের দুয়ার

ইসলামি সভ্যতা ও প্রাচ্যবাদ


